১১ জন উপদেষ্টা নিয়ে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ
১। হাজী মঘল মিয়া:পিতা: সেক্কল মিয়ার বাড়ি: মোবাইল:
01712088073
মঘল মিয়ার স্ত্রী মারা গেছে। ৬ ছেলে তারা হল;
১।
বাবুল মিয়া (কুয়েত প্রবাসী), ২। বাদল মিয়া সাবেক মেম্বার ৩। শাহ আলম
(লন্ডন প্রাবাসী) ৪। খোরশেদ মিয়া (দেশেই পেশা ব্যবসা) ৫। লিটন এবং ৬।
রুবেল:
বক্তব্য: বংশের বর্তমান একতার উদ্যোগ ভাল কথা। সবাই মিলে আমরা এক সাথে চলতে চাই এটাই সবচেয়ে বড় কথা।
২। মতিউর রহমান সাবেক মেম্বার: পিতা: হাজী কান্দার আলীঃ
রহিম উদ্দিন হাজীর বাড়ি: মোবাইল:
রহিম উদ্দিন হাজীর বাড়ি: মোবাইল:
01816519198
মতিউর
রহমানের স্ত্র্রী আছে। ৬ ছেলে তারা হল ১। খোকন মিয়া (আশুগঞ্জ বাজারে
কাপড়ের ব্যবসা) ২। হুমায়ুন কবীর (তালশহর নতুন বাজারে কাপড়ের ব্যবসা) ৩।
হাসেন (আশুগঞ্জ বাজারে ইলেক্ট্রনিক্সের ব্যবসা) ৪। হোসাইন (তালশহর নতুন
বাজারে ইলেক্ট্রনিক্সের ব্যবসা) ৫। হাবিব উল্লাহ (ঢাকার শ্যমলী মার্কেটে
একটা মোবাইল দোকান) ৬। ওবায়দুল্লাহ (ঢাকা শ্যামলী মার্কেটে ২টা মোবাইল
দোকান)
বক্তব্য:
বংশ নিয়ে সভার সবচেয়ে বড় অর্জন: একটা পাইছি, বংশটা চেরাবেরা আছিল ইডা
জমাইয়া লাইলাম। ইডা ধরে রাখতে হলে মনের মিল ধরে রাখতে হবে। গ্রাম ডাকা এবং
পুরো গ্রাম নিয়ে বসা এর জন্য সময় লাগব, কাজ করতে অইব। বাইল কইরা প্রস্তুতি
নিয়া করতে হবে সময় দিতে হবে। উদ্দেশ্য সুন্দর বাস্তবায়ন করতেও সুন্দর
পরিকল্পনা লাগব।
৩। হাজী আব্দুল কাদির চৌধুরী: পিতা: মৌলভী আব্দুল লতিফঃ
কেরানী বাড়ি: মোবাইল:
কেরানী বাড়ি: মোবাইল:
01753550460
আব্দুল কাদির চৌ: এর স্ত্রী আছে। ৪ ছেলে তারা হল:
১। ওসমান হায়দার চৌধুরী মাসুদ: (ব্যাংকার) ২। আরিফুল হায়দার চৌ সুমন
(সাবেক ব্যাংকার বর্তমান ব্যবসা) ৩। আশরাফুল হায়দার চৌ সুজন (ব্যবসা) ৪।
আনিসুর হায়দার চৌ: লিজুম (মেরিন ইঞ্জিনিয়ার)
বক্তব্য:
বংশের একতাটা সবচেয়ে বড় অর্জন। আমাদের উদ্দেশ্য সবার ভিতরে ভিতরে
সমতাভিত্তিক ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলা। আর তা বাস্তবায়নের
উপায় হল আদর্শ, উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং এইগুলো বাস্তবায়নের জন্য
কাজ করা। যুবক এবং তরুণদের নিয়ে একটি পরিষদ গঠন করা এবং এর মাধ্যমে
বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। বড়তল্লা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের
সেক্রেটারী হিসেবে ৩৫ বছর যাবৎ দায়িত্ব পালন, কবরস্থান কমিটির সেক্রেটারী
হিসেবে ৩৫ বছর যাবৎ দায়িত্বে, ঈদগা কমিটির দায়িত্বে ৩০ বছর যাবৎ এবং
বর্তমানে নির্মাণাধীন ঈদগা ও কবরস্থান মসজিদের সেক্রেটারী হিসেবে দায়িত্ব
প্রায় ১ বছর যাবৎ। উক্ত নির্মাণাধীন মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী সামসুল
হোসাইন
৪। হাজী সামসুল হোসাইনঃ পিতা: তালেব হোসেন কারী সামসুল আলম মাষ্টারের বাড়ি : মোবাইল:
01818690032
সামসুল
হোসাইনের স্ত্রী মারা গেছে। ৪ ছেলে তারা হল: ১। মোঃ ইকবাল হোসাইন (ইটালীর
নাগরিক, ইটালীল লালপাসপোর্টধারী মানে ১৯০টা দেশে যেতে কোনো ভিশা লাগে না।
ইটালীরি বিশিষ্ট ব্যবসায়িক। তার প্রতিষ্ঠানের নাম হোয়াইট গোল্ড এর
প্রোপ্রাইটর) ২। মোশারফ হোসাইন (মালদ্বীপ প্রবাসী ছিল) ৩। মোঃ রাজিব হোসাইন
( ইটলী প্রবাসী) ৪। আজিম হোসাইন (ব্যবসায়িক)।
বক্তব্য:
৫। আব্দুল গফুর মিয়া: পিতা:
কেরানী বাড়ি: মোবাইল:
কেরানী বাড়ি: মোবাইল:
01731717674
গফুর মিয়ার প্রথম স্ত্রী মারা গেছে। ২য় বিয়ে করেছে মকন্দপুর, বিজয় নগর। ১ ছেলে: তার নাম ওসমান গণি (সিংগাপুর প্রবাসী)
বক্তব্য:
৬। মোঃ ইউনুছ মিয়া: পিতা: মফিজ উদ্দিন:
নাগর বাড়ি: মোবাইল: 01329976730
নাগর বাড়ি, বড় গোষ্ঠী, বড়তল্লার একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব এবং অত্র এলাকার একজন মান্যগণ্য ব্যক্তিত্ব। উনার ১ ছেলে নাছির উল্লা ( তালশহর নতুন বাজারের ব্যবসায়িক)
বক্তব্যঃ আমরাদের আদি পুরুষ থেকেই অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সহ অত্র গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে আমাদের পূর্ব পুরুষেরা। তাদের সেই মহৎ উন্নয়নের ধারাকে আমরা ধরে রাখতে কাজ করছি। আমরা সমস্ত গ্রামের উন্নয়ন নিয়েই কাজ করে আসছি। আমাদের বংশের বিভিন্ন জ্ঞানী গুণি ব্যক্তিদের উদ্যোগে গ্রামের সবচেয়ে বড় ঈদগা হয়েছে, কবরস্থান হয়েছে যারা এক ধেতে দেড়শত বছর ইতিহাস এবং ঐতিয্য আছে। গ্রামের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ আমাদের পূর্ব পুরুষদের জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। বড়তল্লা সরকারি প্রাইমারী স্কুলটিও আমাদের বংশের বারেক কেরানী সাহের দান করা জায়গার উপর দাড়িয়ে আছে। এছাড়াও বড় তল্লা হাফেজিয়া মাদ্রাসা এবং বর্তমানে নির্মাণাধীন বড়তল্লা কেন্দ্রীয় কবরস্থান সংলগ্ন জামে মসজিদ আমার দাদা মরহুম কান্দর আলীর সুযোগ্য সন্তান আমার ভাই হাজী মতিউর রহমান, লালমিয়া, কুদ্দুছ মিয়া এবং হক মিয়া তারা জমি দিয়েছে ওয়াকফা করে। এই রকম গ্রামের সকল দৃশ্যমান উন্নয়নে আমাদের বংশের অবদান রয়েছে আমরাও সেই ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আমাদের মাঝে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হবে। এর জন্য যুবসমাজ এবং তরুণ সমাজকে ভাল কাজে এগিয়ে আসতে হবে। এটাই আমাদের প্রচেষ্টা।
৭। হোসেন মিয়া: পিতা আলী আমজাদসেক্কল মিয়ার বাড়ি: মোবাইল:
01714-777102
ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে অবস্থান স্বাক্ষাৎ :
৮। হাজী মোঃ ফারুক মিয়া: পিতা: মোঃ সেক্কাল মিয়া:
সেক্কল মিয়ার বাড়ি: মোবাইল:
সেক্কল মিয়ার বাড়ি: মোবাইল:
01711706096
৬
ছেলে তারা হল: ১। জুনায়েদ (ব্যবসা ভৈরব স’মিল) ২। জুবায়েদ (ব্যবসা ভৈরব
ব্যবসা, স’লিম) ৩। মোজাহিদ (ইটালী প্রবাসী) ৪। হেদায়েত ( ব্যবসা: তালশহর
নতুন বাজারের কাছে ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ির কাছে স’লিম) ৫। হৃদয় (ডুবাই
প্রবাসী) ৬। শুভ আহমেদ ( এসএসসি পাস )
বক্তব্যঃ
এটাত খুবই ভাল উদ্যোগ। আমি আশা করি এবং বিশ্বাস করি উন্নয়নের কাজের ধারাকে এবং সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের পারতে হবে এবং আমরা তা পারবো । ভাল কাজ করতে গেলে বাঁধা আসবে এটা অনেক পুরাতন কথা। তাই বলে কি ভাল কাজ বন্ধ করে দিতে হবে? তাহলে সমাজ ও দেশ এবং দশ চলবে কিভাবে? হ্যাঁ ন্যায়ের অবস্থানে থাকতে আমাদের উপর
বাঁধা আসতে পারে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তাই আমাদের তরুণ সমাজ এবং বিশেষ করে যুবক যারা আছে তাদেরকে শক্ত থাকতে হবে। আমরা এবং বিশেষ
করে আমি একশভাগ ন্যায় এবং সেই অনুসারে উন্নয়নের পক্ষে আছি । কারণ এটা প্রতিটি মানুষেরই দায়িত্ব। ন্যায়ের পক্ষে আমাদের একতাটাকে ধরে রাখতে হবে এবং ইডা
যেমন টিক থাকে।
৯। জাকির হোসেন: পিতা: মরহুম আব্দুল মালেক (সাবেক মেম্বার)মালেক মেম্বারের বাড়ি: মোবাইল:
01846609632
বড়তল্লা গ্রামের একটি ঐতিয্যবাহী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিল মরহুম আব্দুল মালেক মেম্বার। আব্দুল মালেক মেম্বার বিশিষ্ট্য শালিসকারক এবং অত্র এলাকার সকলেরই পরিচিত এবং সরদার ছিলেন। মরহুম আব্দুল মালেক মেম্বার সাহেবের ২ ছেলে উনারা হল (১) আব্দুল কুদ্দুস এবং (২) জাকির হোসেন। জাকির হোসেন গ্রামের একজন বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক এবং শালিসকারক। গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে উনার ভূমিকা রয়েছে এবং যে কোনো উন্নয়ন কাজে উনি সক্রিয়।
বক্তব্যঃ একটা কথা আছে; কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায়, তাই বলে কি কুকুরের গায়ে কামড় দেওয়া কি মানুষের শুভা পায়” আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যাদের জন্য সমাজের শান্তি নষ্ট হয়। যারা অন্যায় করে এবং সে যদি আমার বংশেরও হয় আমরা তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়ে আসছি এবং ভবিষ্যতেও নেব। আইন বিরোধী মানুষকে হামকি ধামকি দিয়ে যারা সমাজের শান্তি বিনিষ্ট করতে চায় আমরা তদের কেও কানো ছাড় দেব না। ন্যায় এবং গ্রামের সার্বিক মঙ্গল ও উন্নয়নের স্বার্থেই আমাদের একতা। এই একতাকে আমরা যে কোনো মূল্যে ধরে রাখব এটাও আমাদের ওয়াদা।
১০। মোঃ হানিফ মিয়া ( আনছারী): পিতা: আব্দুল হামিদ (আনছারী)
আনছর বাড়ি: মোবাইল:
আনছর বাড়ি: মোবাইল:
01748378605
৩ ছেলে তারা হল: ১। সুজন আনছারী (সৌদী প্রবাসী) ২। হুায়ুন আনছারী ( ইটালী প্রবাসী) ৩। সজীব আনছারী (সৌদি প্রবাসী)
বক্তব্যঃ
১১। মোঃ মোরশেদ মিয়া: পিতা: আব্দুল ছাত্তার মিয়াঃ
সফর হাজীর বাড়ি: মোবাইল:
সফর হাজীর বাড়ি: মোবাইল:
01322500669
৫ ছেলে তারা হল; ১। মামুন মিয়া (রাজ মিস্ত্রীর কাজ) ২। তানভীর (সিএনজি) ৩। সুমন (ঢাকাতে ব্যবসা) ৪। বিজয় (ঢাকাতে ব্যাগের কারখানা) ৫। রিহান উদ্দিন ( বাড়িতে)
বক্তব্যঃ আমরা ঝগড়া চাই না। গ্রামের শান্তি চাই। আমরা ন্যায়ের মধ্যে আছি। কারো সাথে আমরা কোনো জামেলায় যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নাই। আমরা বড় গোষ্ঠী বলে কারে সাথে ফখরে নাই, আমরা ধর্যের মধ্যে আছি। তবে একবারে ওরফে আইয়া পরলে ময়-মোরব্বীদের জানাইয়া যা করার তা করতে প্রস্তুত এবং করুম। সারা গ্রাম নিয়ে বসার দরকার আছে। তবে এর জন্য পরিবেশ লাগবে, সময় লাগবে, প্রস্তুতি লাগবে। এই বিষয়গুলো চিন্তা ভাবনা করেই আমরা কাজ করছি।
বক্তব্যঃ আমরা ঝগড়া চাই না। গ্রামের শান্তি চাই। আমরা ন্যায়ের মধ্যে আছি। কারো সাথে আমরা কোনো জামেলায় যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নাই। আমরা বড় গোষ্ঠী বলে কারে সাথে ফখরে নাই, আমরা ধর্যের মধ্যে আছি। তবে একবারে ওরফে আইয়া পরলে ময়-মোরব্বীদের জানাইয়া যা করার তা করতে প্রস্তুত এবং করুম। সারা গ্রাম নিয়ে বসার দরকার আছে। তবে এর জন্য পরিবেশ লাগবে, সময় লাগবে, প্রস্তুতি লাগবে। এই বিষয়গুলো চিন্তা ভাবনা করেই আমরা কাজ করছি।
১১ সদস্য বিশিষ্ট্য কার্যকরী উপদেষ্টা পরিষদ: শনিবার: ১৮ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ এবং ৪ঠা মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দে বড় গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ কর্তৃক আয়োজিত সভায় হাবিবুর রহমান এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত, কাদির চৌধুরী দ্বারা সমর্থনকৃত এবং উপস্থিত সকলের চাওয়া, গ্রহণযোগ্যতায় সর্বসম্মতি ক্রমে স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে উক্ত কার্যকরী উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এবং উক্ত পরিষদ সেই বৈঠকের দিন থেকেই নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন।











কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন